১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিসিকের উর্ধতন কর্মকর্তারা রোনিতা ফুডের স্টলে পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ নারায়ণগঞ্জ নতুন জেলা প্রশাসক ডিসি মোঃ রায়হান কবির দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। মায়ের আঁচল রিপোর্ট শেখ হাসিনার রায় কে ঘিরে  অরজগতা ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে জেলা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী  । মায়ের আঁচল রিপোর্ট মায়ের আঁচল সহ নারায়ণগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত বিদায়ী মানবিক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। মায়ের আঁচল রিপোর্ট কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ’প্রাইজ পোস্টিং’ পেলেন বিদায়ী ডিসি মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। মায়ের আঁচল রিপোর্ট শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে হাকিমপুর থানার ওসি নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের টহল জোরদার। মায়ের আঁচল রিপোর্ট হাকিমপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার -৩। মায়ের আঁচল রিপোর্ট রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কর্তৃক পুলিশ অফিস, দিনাজপুর-এর বার্ষিক পরিদর্শন করেন। মায়ের আঁচল রিপোর্ট আওয়ামীলীগের লকডাউন কর্মসূচি ঘিড়ে নারায়ণগঞ্জ জেলাজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার, ২৬ চেকপোস্ট। মায়ের আঁচল রিপোর্ট লকডাউন’ কর্মসূচীকে ঘিরে সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী — পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন । মায়ের আঁচল রিপোর্ট

অন্যদের জমি খারিজ হয়, আমারটা হয় না, হিলি ভূমি অফিসে ভুক্তভোগীর কান্না। মায়ের আঁচল রিপোর্ট

হারুন অর রশিদ সাগর নারায়ণগঞ্জ ০১৯২২৬৯৩৪০৬
  • Update Time : সোমবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৫,
  • 133 Time View

অন্যদের জমি খারিজ হয়, আমারটা হয় না, হিলি ভূমি অফিসে ভুক্তভোগীর কান্না

দৈনিক মায়ের আঁচল রিপোর্ট,মোঃ মাহবুব হোসেন মেজর দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলি পৌর ভূমি অফিসে সেবা নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবহেলা, দীর্ঘসূত্রিতা ও পৌর তহশিলদারের হয়রানির কারণে একটি সাধারণ কাজও শেষ করতে মাসের পর মাস ঘুরতে হচ্ছে।

ভুক্তভোগী আনিছুর রহমান বলেন, ভূমি অফিসে কোনো কাজ করতে গেলেই ঘুরপাক খেতে হয়। একটি সাধারণ কাগজ তুলতেও দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয়। প্রতিবার ভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

মো. ইমদাদুল হোসেনের অভিযোগ, জমির খাজনা দিতে গেলেও নানা অজুহাতে কাজ হয় না। কখনো বলা হয় ফাইল নেই, কখনো কর্মকর্তা নেই।

ক্ষোভ প্রকাশ করে মোছা. উম্মে খাতুন বৃষ্টি বলেন, খাজনা নেই কিন্তু আমার নামজারির করে দেয়না ধরে। ইচ্ছে করেই মানুষকে হয়রানি করা হয়। তহশিলদার নিজে কম্পিউটার চালাতে পারেন না, বাইরে থেকে লোক এনে কাজ করান। এতে ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। এখন আমাদের দরকার প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন আধুনিক তহশিলদার, যিনি দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা দিতে পারবেন।

মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ভূমি অফিসে সঠিক তথ্য না দেওয়ায় সাধারণ মানুষ দালালের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হচ্ছেন। আমি তার নামে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু কোনো ফল হয়নি। মনে হয় তার হাত অনেক লম্বা।

মো. মোলায়েম হোসেন বলেন, আমার সব অনলাইন খারিজ ও খাজনা পরিশোধ করা আছে। তবুও নানা অজুহাতে কাজ শেষ হয় না। রাতের বেলায় তদন্তের নামে কাজ করা হয়, যা সন্দেহজনক।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে শাহিদা বেগম বলেন, চারবার খারিজের আবেদন করেছি। প্রতিবারই আমার আবেদন বাতিল করা হয়েছে। অথচ একই দাগের অন্যদের খারিজ হয়ে যাচ্ছে। মনে হয় ইচ্ছে করেই আমাকে হয়রানি করছে তহশিলদার।

অভিযোগ অস্বীকার করে পৌর তহশিলদার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ভূমি অফিসে প্রচুর কাজের চাপ থাকে। আমরা নিয়ম মেনেই কাজ করি। কাউকে হয়রানি করার সুযোগ নেই।

হাকিমপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাব্বির হোসেন বলেন, তহশিলদারের বিষয়ে যদি লিখিত অভিযোগ থাকে, তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে। আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম, বিষয়টি দেখা হবে।

দিনাজপুর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. জানে আলম বলেন, জনগণকে সেবা দেওয়াই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, ভূমি অফিসে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট সেবা চালু না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের শেষ হবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category